সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

ফ্লাইট থেকে নেমেই বিমানবন্দরে পার করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা

প্রকাশিতঃ রবিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২২, ১:৫১ অপরাহ্ন

নামে আন্তর্জাতিক কিন্তু সেবা পেতে বেসামাল অবস্থা। ট্রলি ছাড়াই কেউ টানছেন লা’গেজ আবার কেউ তুলছেন মাথায়। দীর্ঘ যাত্রার পর বিমান থেকে নেমেই হেলথ ডে’স্ক আর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতার পর লাগেজ পেতেও কে’টে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমন সীমাহীন দুর্ভো’গ মা’থায় নিয়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন দেশি বিদেশি যাত্রীরা।

 

বন্দরের পরিস্থিতি দেখতে আসায় বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, রাতারাতিই পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়। মোবাইল ফোনে ধারণ করা এক চিত্রে দেখা যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেলথ ডে’স্কের সামনে যাত্রীদের ভিড়। সেখানে দেখা মেলে ফ্লাইট থেকে নেমে ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়ানোর আগেই যেখানে পার করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বি’শৃঙ্খলভাবে সবাই একসঙ্গে লাইনে ঢুকে পড়ছে, তা না করে সবাইকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দিলে ব্যাগ চেকটা তাড়াতাড়ি হতো বলে জানান এক যাত্রী। আরেকরজন বলেন, ফরমটা আমরা পূরণ করছি, তারা শুধু এটার ওপর সিল মে’রে একটা অংশ ছিড়ে নিচ্ছে, এটা অনলাইনভি’ত্তিক হতে পারত।

 

সুতরাং আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী এ প্রবাদটি সত্যি হলে প্রথম দেখায় বিমানবন্দরে নেমেই যে কারও বাংলাদেশ সম্প’র্কে জন্মাবে নে’তিবাচক ধারণা। কলকাতা থেকে ঢাকা উড়ানে সময় লাগে বড়জো’র এক ঘণ্টা। কিন্তু ঢাকায় নেমে হেলথ ইমিগ্রেশন ডে’স্কের লম্বা লাইন পার হয়ে লাগেজ নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হতেই সকাল গড়িয়ে বিকে’ল হয়। বিমানবন্দরে আসা একযাত্রী বলেন, স্ক্যা’নার বসানো হয়েছে, সেটি দিয়ে লাগেজের ভেতরে দেখা যায় না, তাহলে কেন এটা বসানো হয়েছে। যাত্রী হয়রা’নি ছাড়া আর কিছুই না।

 

দৈনিক ২৯টি এয়ারলাইনসের প্রায় ১৩০টি ফ্লাইট উঠানামা করে শাহজালালে। এসব ফ্লাইটে যাতায়াত করে ২০ হাজারের বেশি যাত্রী। কিন্তু বিমানবন্দরের সেবা নিয়ে ক্ষো’ভ প্রায় প্রতিটি যাত্রীর। যদিও, মন্ত্রণালয় বলছে, রাতারাতি বাড়ানো যায় না গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষ’মতা। বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, প্রতিদিন ২০ হাজার যাত্রী প্রতিদিন আসা-যাওয়া করে। এক সঙ্গে চেক করতে গিয়ে সাময়িক অ’সুবিধা হচ্ছে। এগুলো দেখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

কিন্তু অ্যাভিয়েশন বিশেষ’জ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলম মনে করেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্ব’য়ের অভাব আর সময়ো’পযোগী সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় দেখা দিয়েছে অ’চলাবস্থা। বলেন, কোন সময় এয়ারপোর্টের ওপর চা’প থাকবে বা থাকবে না যারা এটার পরিচালনায় আছে তাদের জানার কথা। দৈনিক ৮ ঘণ্টা রানওয়ে বন্ধ থাকায় এয়ারলাইনসগুলোকে পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে ফ্লাইটের সময়। শীতকালীন দিনের অল্প সময়ে বাড়তি চাপে শাহজালাল বিমানবন্দর।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: