সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

ঢাকা থেকে কাতারে এসেই পেটের অসুখে আক্রান্ত প্রবাসীরা, এয়ারপোর্টে নতুন নির্দেশনা

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২২, ৫:০৪ পূর্বাহ্ন

ঢাকা থেকে কাতারে আসার পর পেটের অ’সুখে আ’ক্রা’ন্ত হচ্ছেন প্রবাসীরা। এ নিয়ে উদ্বে’গ প্রকাশ করেছে কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা।জানা গেছে, কাতারের ফ্লাইটে ওঠার আগে ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হওয়া খাবার খেয়ে এই প্রবাসীরা অ’সুস্থ হয়েছেন কিনা, সেই প্রশ্ন উঠেছে এখন। তবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দা’বি করছে, ঢাকায় বিমানবন্দরে অবস্থিত কোনো দোকানে কখনো প’চা-বাসি খাবার বিক্রি করা হয় না।

 

বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, শুধু কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাস নয়, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত দূতাবাস থেকেও ঢাকায় জানানো হয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসে অনেক যাত্রী ঢাকা থেকে কাতার ও আরব আমিরাতে আসার পরপরই পে’টের অ’সুখে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। আর এই বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম গতকাল বুধবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মু’খে পড়েন।

 

উত্তরে তিনি বলেন, এটা আমাদের নলে’জে এসেছে। আমরা আরব আমিরাতে ১২০ জনের অসুস্থ হওয়ার সংবাদ পেয়েছি। অন্যদিকে কাতারে ৬০ জন প্রবাসী ঢাকা থেকে গিয়েই অ’সুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জেনেছি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওই দেশগুলোর সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। কারণ আমাদের দেশের মানুষের পাশাপাশি তাদের দেশের নাগরিকেরাও এমন অ’সুখে আ’ক্রা’ন্ত।” জানা গেছে, এমন ঘটনার পরপরই ঢাকা থেকে কোনো রকমের খাবার আনার উপর ক’ড়াক’ড়ি আরো’প করে কাতার কর্তৃপক্ষ।

 

ক’রো’না ম’হামা’রীর মধ্যে কো’ভি’ড পরী’ক্ষা এবং রানওয়ের কাজের জন্য বিমানবন্দরে প্রবাসী যাত্রীদের বেশি সময় অপে’ক্ষা করতে হচ্ছে। যেমন, আমিরাতগামী যাত্রীদের ফ্লাইটের ন্যূনতম ছয় ঘণ্টা আগে কো’ভি’ড পরীক্ষার জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছতে হচ্ছে। এসময় তারা বিমানবন্দরেই খাওয়া দাওয়া করছেন। ঢাকায় বিমানবন্দরের গাড়ি পার্কিংয়ের নিচতলায় স্থাপিত কো’ভি’ড পরী’ক্ষার জন্য আ’রটি পি’সিআর পরীক্ষাগারে এসব যাত্রীদের অনেক সময় পার করতে হচ্ছে। সেজন্য পরীক্ষাগারের ভেতরে বসানো হয়েছে চারটি খাবারের দোকান। এছাড়া বিমানবন্দরের ভেতরে আরও কিছু খাবারের দোকান রয়েছে।তবে এসব দোকানে খাবারের কোনো সমস্যা নেই বলে দা’বি করেছেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদুল আহসান।

 

তিনি বলেন, “বিমানবন্দরের যেসব খাবারের দোকান রয়েছে, সেগুলো আমরা নিয়মিত চে’ক করছি। স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের একটা আলাদা শাখা রয়েছে। আর’টিপি’সিআর ল্যাবের ভেতরে যে চারটি খাবারের দোকান রয়েছে, সেগুলোও আমাদের তদারকির মধ্যে আছে। আমি বলতে পারি, আমাদের এসব রেস্তোঁরায় কোনো প’চা-বাসি খাবার খাওয়ানো হয় না।” তিনি আরও বলেন, দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রবাসী যাত্রীদের অনেকে নিজেরাই খাবার নিয়ে আসেন। সেই খাবারের মান ঠিক নাও থাকতে পারে। এজন্য বেবিচক চেয়ারম্যান বিদেশগামী যাত্রীদের বাইরের খাবার আনা বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান তৌহিদুল। কারণ ওই খাবারের গুণগত মানের যেহেতু নিশ্চ’য়তা নেই, তাই আমরা অ্যা’লাই করব না। যাতে তারা সেগুলো খেয়ে পথিমধ্যে অ’সুস্থ হয়ে না পড়েন।”


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: