মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
প্রবাসী আমিরুলকে মেরে ৯ দিন পর লাশ দেশে পাঠায় চার মামাতো ভাই যাত্রীচাপ সামলাতে দুবাই রুটে বিমানের অতিরিক্ত ফ্লাইট কাতার সরকারের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্তে হতাশ প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু লাল তালিকায় না, বাংলাদেশকে ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় যুক্ত করলো কাতার ঢাকা থেকে কাতারে এসেই পেটের অসুখে আক্রান্ত প্রবাসীরা, এয়ারপোর্টে নতুন নির্দেশনা ৫ গন্তব্যের কোনো সিট খালি নেই, ভাড়া কমানোর আগেই বিমানের টিকিট বিক্রি শেষ! ইলিয়াস আমার টাকা-পয়সা, গয়না নিয়ে চলে গেছে: সুবাহ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, জয়-লেখক আহত মধ্যপ্রাচ্যের ৫ রুটে ১৬ তারিখ থেকে কম ভাড়ায় চলবে বিমান জাহানারা বিশ্বসেরা সুন্দরী ক্রিকেটারদের তালিকায় সবার উপরে

প্রবাসী আমিরুলকে মেরে ৯ দিন পর লাশ দেশে পাঠায় চার মামাতো ভাই

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

কাতারপ্রবাসী স্বামীকে হ’ত্যা করে দেশে লা’শ পাঠিয়েছে তার ভাইয়েরা। পরিকল্পি’তভাবে তাকে ঘরের ভেতর হ’ত্যা করে হৃ’দরো’গে মৃ’ত্যু হয়েছে বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে গত প্রায় এক বছর ধরে। এদিকে সামাজিক মধ্যস্থতার দোহাই দিয়ে তাকে আইনের দ্বা’রস্থ হওয়া থেকেও বির’ত রাখা হয়েছে। নাবালক সন্তানদের নিয়ে কা’টাচ্ছেন দু’র্বিষহ জীবন।

 

গতকাল সোমবার দুপুরে কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামের বাসিন্দা নি’হত আমিরুল ইসলাম সিমু চৌধুরীর স্ত্রী রোজিনা আক্তার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভি’যোগ জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার স্বামী আমিরুল ইসলাম সিমু চৌধুরী দীর্ঘদিন কাতারে কর্মরত ছিলেন। তিনি দোহায় যে বাসায় বসবাস করতেন, সেখানে তার চার মামাতো ভাই উজ্জ্বল, খায়রুল, আজহারুল ইসলাম ও খছরু একই সঙ্গে বসবাস করতেন।

 

গত বছরের ৪ এপ্রিল উজ্জ্বলসহ চার ভাই মিলে সিমু চৌধুরীকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে। ঘটনার ৭ দিন পর স্বামীর মৃ’ত্যুর সংবাদ ফোনে জানায় উজ্জ্বল ও অন্যরা। তখনই সিমুর পরিবারের সন্দে’হ হয়। এমন অবস্থায় স্বামীর লা’শের আশায় সবকিছু চা’পা দিয়ে তাদের সঙ্গে কৌশলে যোগাযোগ করলে মৃ’ত্যুর ৯ দিন পর লা’শ দেশে পাঠিয়েছে সিমু চৌধুরীর মামাতো ভাইয়েরা। ১৩ এপ্রিল কাতার থেকে দেশে লা’শ আসার পর তারা বার বার ময়’নাত’দন্তের অনুরো’ধ করলেও তা না করেই দ্রুত লা’শ দা’ফন করা হয়।

 

ওইদিন স্থানীয় চেয়ারম্যান জনাব আলী, চাঁনপুর গ্রামের নাসির উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে একটি অ’ঙ্গীকারনামা করা হয়। তাতে লেখা ছিল মৃ’ত্যুর ৪০ দিন পর সবাইকে নিয়ে উচিত বি’চার করা হবে। পরে গত ২৩ জুলাই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জনাব আলীর সভাপতিত্বে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সিমু চৌধুরীর স্ত্রী, সন্তানদের ভরণপোষণ বাবদ নগদ ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। আজও সেই টাকা পরিশো’ধ করেনি উজ্জ্বল ও অন্যরা।

 

কিছুদিন আগে উজ্জ্বলদের নিকটাত্মীয় সরকারি চাকরিজীবী কর্নেল শায়েদ মিনহাজ সিদ্দিকী পল্লব ও নাসির উদ্দিন এক লাখ টাকার চেক নিয়ে এলে রোজিনা তা প্র’ত্যাখ্যা’ন করে পুরো টাকা দা’বি জানান। এমনি পরিস্থিতিতে সরকার এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনাসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন রোজিনা আক্তার। এ ব্যাপারে প্রবাসী উজ্জ্বলের চাচাতো ভাই নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের পারিবারিক। যারা এতিম হয়েছে, সেই ছোট ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ আমরা দেখব। সুত্রঃ সমকাল।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: