মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৭ অপরাহ্ন

ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে ক্ষমা চাইলেন জায়েদ খান

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। আর টানা তৃতীয়বারের মত সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন জায়েদ খান। তার বিপরীত প্যানেল থেকে সভাপতি পদে জয় লাভ করেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

 

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনের পর গত ৩০ জানুয়ারি রাতে নবনির্বাচিত সভাপতিকে ছাড়াই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় হাজির হন জায়েদ খান। সেখানে ছিলেন জায়েদের প্যানেল থেকে জয়ী ডিপজল, রুবেল, মৌসুমী, রোজিনারা। নবনির্বাচিত সভাপতি ও তার প্যানেলের জয়ী কেউ ছিলেন না।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সেই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন জায়েদ খান নিজেই। এরপরই জায়েদ খানের সমালোচনায় মেতে ওঠেন অনেকেই। তাহলে কি নতুন সভাপতিকে মেনে নিতে পারেননি জায়েদ খান? এমন প্রশ্ন ওঠে সিনেপাড়ায়।

 

অবশেষে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন জায়েদ খান। নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে বাদ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কারণে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। অভিনেতা ও উপস্থাপন শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও জায়েদ খান।

 

সেই অনুষ্ঠানে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান জায়েদ খান। এ সময় ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আসলে এখানে ভুলটা হয়েছে বলেই এই কনফিউশন তৈরি হয়েছে। বিষয়টা প্রথমে আমার নিজের কাছেও খারাপ লেগেছিল। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়তো মনে করতে পারেন, আমি ইচ্ছা করেই যাইনি। একটা বিভক্তির দেখা তবে বিষয়টি তাদের ভুল। ওই সময় এটা করেছে।

 

 

জায়েদ খান বলেন, আমরা আসলে ওই সময় ওখানে ছিলাম। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়েছিলাম। মন্ত্রীকে আমরা বলেছি, আমরা এখন শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে আসিনি, এখানে ছিলাম, তাই আপনাকে সালাম করে গেলাম। আমরা শপথ গ্রহণের পর কাঞ্চন ভাইকে নিয়ে পুরো কমিটি আসব। একই কথা তথ্যমন্ত্রীকেও বলেছি আমরা। তিনি বলেন, কাঞ্চন ভাইয়ের সঙ্গে আমার গত দুই টার্মে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। তিনি আমাদের শিল্পী সমিতির দুইবারের উপদেষ্টা ছিলেন।

 

যে কোনো ক্রাইসিসে তিনি এগিয়ে এসেছেন, আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। করোনার সময় কেউ যখন ঘর থেকে বের হতে চাইতো না, তখন কাঞ্চন ভাই এসেছেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের জন্য, চলচ্চিত্রের স্বার্থে এই মহামারির সময়ে বের হয়েছি। তিনি আরও বলেন, কাঞ্চন ভাই মহাসড়কের যোদ্ধা। চলচ্চিত্রের সিনিয়রদের অন্যতম। তিনি এখন শিল্পী সমিতির অভিভাবক। আর ২১ জনের সরাসরি অভিভাবক। তার অভিজ্ঞতার আলোকে তার নির্দেশে আমরা চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের উন্নয়নে কাজ করে যাব। এখন আর দুই প্যানেল, প্রতিদ্বন্দ্বী এসব কিছু নেই। এখন শিল্পীরা সবাই একটা পরিবার।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: