মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:৫৩ অপরাহ্ন

অবৈধ কমিটির মিটিংয়ে আমি যাবো না: জায়েদ খান

প্রকাশিতঃ শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ৮:১৯ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে জটি’লতার অবসান হচ্ছেই না। ভোট শুরুর আগে থেকেই বিত’র্ক-স’মালোচনার শুরু। এরপর ২৮ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হয়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত চলছে পদ নিয়ে টানাটানি। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে জয় পেয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জায়েদ খান। টানা তিনবার একই পদে বিজয়ী হয়েছেন জায়েদ। কিন্তু এবার তিনি অনিয়ম করে নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন বলে অভিযো’গ প্রতিদ্ব’ন্দ্বী প্রার্থী নিপুণের।

 

জায়েদের বিরু’দ্ধে কিছু প্রমাণও তিনি সামনে এনেছেন। যদিও জায়েদ খান সেগুলোকে বানো’য়াট ও ভি’ত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এদিকে ভোট কেনাবেচার অভি’যোগ তুলে শিল্পী সমিতির নির্বাচনী আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন নিপুণ। সেই আবেদনের প্রেক্ষাপটে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় হয়ে আপিল বিভাগের কাছে গত মঙ্গলবার একটি নির্দেশনামূলক চিঠি আসে।

 

চিঠিতে সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদের ফলাফল নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আপিল বিভাগের চেয়ারম্যানের ওপর। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদে চুন্নু বিজয়ী হয়েছেন। আপিল বিভাগের চেয়ারম্যান পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান আজ শনিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের নিয়ে মিটিং ডেকেছেন। সেখানে আপিল বিভাগের দুই সদস্য, নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যসহ অভিযোগকারী নিপুণ, অভিযুক্ত জায়েদ খান ও চুন্নুর উপস্থিত থাকার কথা।

 

এ ব্যাপারে আপিল বিভাগ থেকে সবাইকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এক দিন আগে শুক্রবার রাতে জায়েদ খান জানান, তিনি ও চুন্নু কেউই উপস্থিত হবেন না মিটিংয়ে। তাঁর দাবি, কোনো অবৈধ কমিটির সিদ্ধান্তের কাছে তিনি যাবেন না। জায়েদ খান বলেন, ‘আমি কেন অবৈধ কমিটির কাছে যাব। কেন? আর গেলেইবা কী। কাল যে রায় হবে, তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না। কারণ তারা অবৈধ কমিটি। তাদের চ্যালেঞ্জ করতে হলে আদালতে যেতে হবে।’

 

জায়েদ খান আরও বলেন, ‘২৯ জানুয়ারি আমাকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তারপরও তাঁরা যদি এটি নিয়ে লড়তে চান, সেটা আদালতে হবে। আপিল বোর্ডের কোনো কার্যকারিতাই নেই। আমার আইন উপদেষ্টা একই কথা বলছেন। আপিল বিভাগ হাস্যকর কর্মকাণ্ড করছে।’

 

জায়েদ খান বলেন, ‘আপিল বিভাগ বলেছে, ২৯ তারিখে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে। আমরা সেই চিঠি বের করে দেখেছি, সেটা ১ ফেব্রুয়ারিতে পাঠানো। ২৯ জানুয়ারি আপিল বিভাগের কার্যকারিতা শেষ। ১ ফেব্রুয়ারি তারা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের কাছেও ওই চিঠি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: