বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১১:২০ পূর্বাহ্ন

মামুন আমার প্রেমিক, সজিবকে তালাক দিয়ে তাকেই বিয়ে করবো

প্রকাশিতঃ রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১:৩২ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে প্রেম করে বিয়ের তিনমাস না যেতেই স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে যান নববধূ। সেখানে স্বামীর ফুপাতো ভাইয়ের সঙ্গে পরকী’য়া সম্প’র্কে জড়ান। কিন্তু সেই সম্প’র্কও এখন টিকছে না। বাড়ি ছেড়ে পা’লিয়েছেন নতুন প্রেমিক। এ অবস্থায় বিয়ের দা’বিতে প্রেমিকের বোনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন ওই গৃহবধূ। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

 

উপজেলার সুতাপাড়া গ্রামে এমনই ঘটনায় এলাকায় তো’লপাড় চলছে। এতে ওই নারীর বিরু’দ্ধে মাম’লা করেছেন প্রেমিকের বোনজামাই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনমাস আগে উপজেলার সুতাপাড়া গ্রামে সোহরাব হোসেনের ছেলে সজিব মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় ওই নারীর। প্রেমের বিয়ে হওয়ায় সজিবের পরিবার এ সম্প’র্ক ভালোভাবে নেয়নি। বিয়ের কিছুদিন পরই ওই নারী বাবার বাড়ি চলে যান। সজিবও শ্রমিকের কাজ করতে চলে যান সিলেটে।

 

এ সময়ের মধ্যে সজিবের ফুপাতো ভাই কিশোরঞ্জ সদর উপজেলার পাটধা গাবতলী গ্রামের মৃ’ত মফিজ মিয়ার ছেলে মামুনের সঙ্গে অ’নৈতিক সম্প’র্কে জড়িয়ে পড়েন ওই নারী। বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিয়ের দাবিতে মামুনের বাড়িতে চলে যান তিনি। কিন্তু এর আগেই বাড়ি থেকে পা’লিয়ে যান মামুন। একইদিন আত্মীয়রা ওই নারীকে গ্রামে ফিরিয়ে আনলে তিনি মামুনের ভগ্নিপতি মো. হারিছ মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেন। গত পাঁচদিন ধরে সেখানেই আছেন।

 

 

রোববার বিকেলে (৬ ফেব্রুয়ারি) ওই নারী বলেন, ‘মামুনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্প’র্ক আছে। সে আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রু’তি দিয়েছে। তাকেই বিয়ে করবো। এখান থেকে কিছুতেই যাবো না।’ তিনমাস আগে সজিবকে বিয়ে করেছেন। তাহলে ওই বিয়ের কী হবে, এমন প্রশ্নে ওই নারী বলেন, ‘মামুন আমার প্রেমিক, সজিবকে তা’লাক দিয়ে তাকেই বিয়ে করবো’।

 

মামুনের বোন হোসনা বেগম বলেন, ‘ভাইয়ের সঙ্গে ওই নারীর সম্প’র্কের বিষয়ে জানতাম না। তার বাবা-মা তাকে এখানে রেখে গেছেন। তারা নানাভাবে আমাদের হু’মকি দিচ্ছেন। আমাকে মা’রধরও করেছেন। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরা’পত্তাহী’নতায় ভুগছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও কোনো সুরাহা না করে চলে গেছে।’

 

সজিবের মা সংরক্ষিত নারী মেম্বার তাসলিমা বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে তিনমাস আগে ওই মেয়ের বিয়ে হয়। সপ্তাহখানেক আমাদের বাড়িতে থাকার পর বাবার বাড়ি চলে যায়। সেখান থেকে মামুনের বাড়িতে ও পরে মামুনের ভগ্নিপতির বাড়ি যায়। বর্তমানে সেখানেই আছে। আমরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে ফেরাতে পারিনি। সে বলেছে মামুনকেই বিয়ে করবে।’

 

এ ঘটনায় মামুনের ভগ্নিপতি মো. হারেছ মিয়া বা’দী হয়ে শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) করিমগঞ্জ থানায় একটি মাম’লা করেছেন। মা’মলায় ওই নারী ও তার বাবা-মাসহ চারজনকে আসা’মি করা হয়েছে। করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী বলেন, মাম’লার এজাহার পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ত’দন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: