বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

‘নিষিদ্ধ’ হলো বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন

প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

কিছুদিন আগেই ফেসবুক তাকে ‘মৃ’ত’ ঘোষণা করেছিল। এ বার ফের সাময়িক নিষি’দ্ধ তসলিমা নাসরিন! কী কারণে? তার জ্বলন্ত লেখা, বিতর্কি’ত পোস্ট সম্ভবত একটি নেপথ্য কারণ। ২১ ফেব্রুয়ারিও মাতৃভাষা নিয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন তসলিমা নাসরিন। মাতৃভূমি বাংলাদেশে রেখে আসা স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছিলেন লেখিকা। কী ভাবে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়? তারই এক টুকরো উঠে এসেছিল তার লেখায়।

 

ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমের পডকাস্টে নিজের জমে থাকা অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। ভাষা দিবস তাকে কী ‘ফেরত উপহার’ দিল? ফেসবুকে সাময়িক নিষি’দ্ধ তিনি। নিষিদ্ধ তার পোস্ট! লেখিকা সে কথা ব্যঙ্গের সুরে জানিয়েছেন তার পাতায়, ‘আমার জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির উপহার!’

 

ফেসবুকে লেখিকা পোস্ট দিয়ে দেখিয়েছেন, কী ভাবে ধাপে ধাপে নিষি’দ্ধ করা হয়েছে তাকে। ফেসবুকের নিয়মে, ২৮ দিন তার পোস্ট সবার নীচে থাকবে। ৪৫ ঘণ্টা তিনি কোনও পোস্ট বা মন্তব্য লিখতে পারবেন না। আগামী ৫ দিন তিনি কোনও ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিতে পারবেন না। তসলিমা তার শা’স্তির নমুনা পেশ করতেই এবার তার হয়ে মুখ খুলেছেন অনুরাগীরা। কারও যু’ক্তি, ‘রিচ নিয়ে বড় সমস্যা দেখি না। আপনার পোস্ট যারা পড়েন, তারা খুঁজেই পড়েন’। কেউ স্পষ্ট দাবি করেছেন, ‘এগুলো ঘটে পোস্ট রিপোর্ট হয় বলে। তোমার শ’ত্রুর অভাব নেই’। কারো মতে, ‘আপনার পোস্টে অ’প্রিয় সত্য থাকে বলেই এ রকম হয়। প্রমাণ করে, এখনও নিরীহ কিছু শব্দ সত্যি হলে কতটা শক্তিশালী হতে পারে’।

 

১৭ জানুয়ারি শাঁওলি মিত্রর মৃ’ত্যুর পরেই মৃ’ত্যু সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছিলেন তসলিমা। সেই পোস্টে তার ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন। প্রথম পংক্তিতেই লিখেছিলেন, ‘আমি চাই আমার মৃ’ত্যুর খবর প্রচার হোক চার দিকে। প্রচার হোক যে, আমি আমার মরণো’ত্তর দে’হ দান করেছি হাসপাতালে, বিজ্ঞান গবেষণার কাজে’। এটুকু পড়েই ফেসবুক বুঝে নিয়েছিল, লেখিকা আর বেঁচে নেই! সঙ্গে সঙ্গে তার আইডি-তে ‘রিমেমবারিং’ শব্দের যোগ। মার্ক জুকারবার্গ এবং তার দলের এই কীর্তি’কলাপ হজ’ম করতে কষ্ট হয়েছিল অনুরাগীদের। তাদের দাবি, পুরো পোস্ট পড়লেই স্পষ্ট তসলিমা শাঁও’লি মিত্রের আদলে একটি শেষ ইচ্ছাপত্রের ভাবনা জানাতে চেয়েছেন। সে সব না বুঝে জীবিতকে কী করে ‘মৃ’ত’ বানিয়ে দিল ফেসবুক?

 

সে সময়েও লেখিকা বি’দ্রূপ করে লিখেছিলেন, ‘জি-হা-দিদের প্ররোচনায় ফেসবুক আমাকে শ্বাসরোধ করে হ’ত্যা করে’ছিল প্রায় একুশ ঘণ্টা আগে। এই একুশ ঘণ্টায় আমি পর’কালটা দেখে এসেছি’। গত নভেম্বরেও একই ভাবে ফেসবুক নিষি’দ্ধ করেছিল তাকে। সেই সময়ে তসলিমার দাবি ছিল, ‘জে’হাদ, জে’হাদি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কিছু লিখলেই আমার মতো এক জন মানবাধিকার কর্মীকে নি’ষি’দ্ধ করছে ফেসবুক’।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: