শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২১ অপরাহ্ন

প্রায়ই গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি

প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১, ৪:২৩ অপরাহ্ন

প্রায়শই মাঝ রাতে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবে যেতেন বর্তমানের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। কিন্তু মা’নতেন না কোনো নিয়ম কানুন। নিজের খেয়াল খুশিমত গভীর রাতে বিভিন্ন যুবক-যুবতী নিয়ে ম’দ্যপা’ন করতেন। পুলিশ ও গো’য়ে’ন্দাদের জানিয়েছেন, পরীমনি তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমিসহ কয়েকজন যুবক-যুবতী নিয়ে প্রায়রাতেই অভিজাত ক্লাব ও তারকা হোটেলে ঘুরে বেড়াতেন।

 

তাদের সঙ্গে নিয়ে ম’দ পা’ন করতেন মধ্যরাত পর্যন্ত। এক্ষেত্রে প্রায় রাতেই তার কারণে ক্লা’বের আইন ভা’ঙা হতো। বিশেষ করে হা’ফপ্যা’ন্ট পড়ে তার সঙ্গী হওয়া জিমি ড্রেসকোডের তো’য়া’ক্কা করতেন না কখনোই। এক ক্লাবে সময় কা’টিয়ে তিনি যেতেন আরেক ক্লাবে। ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনার আগের রাতে রাজধানীর হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন অল কমিউনিটি ক্লাবে ভা’ঙচু’রের অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে।

 

বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে অল কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি কে এম আলমগীর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ৮ জুন রাতে পরী মনির ভা’ঙচু’রে’র ঘটনা তুলে ধরেন। ক্লাবের সভাপতি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী রাত ১১টায় ক্লাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাত প্রায় ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পরী মনি এক সদস্যের মাধ্যমে ক্লাবের বারে প্রবেশ করে ‘ম’দ অ’র্ডার করেন। ম’দে’র একটি বো’তল তার টেবিলেও দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়েটাররা পরিবেশন করতে রাজি না হওয়ায় ‘ক্ষী’প্ত হয়ে ওঠেন পরীমনি। এক পর্যায়ে ১৫টি গ্লাস, ৯টি স্ট্রে ও বেশ কিছু গ্লাস ভা’ঙচু’র করে বেরিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।

 

বুধবার (১৬ জুন) অল কমিউনিটি ক্লাবে ভা’ঙচু’রে’র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, পরীমণি ওই ক্লাবের সদস্য নন। ৮ জুন (মঙ্গলবার) রাতে তিনি ক্লাবে অ’নুপ্র’বেশ করেন। তারপর ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে তার বা’গবি’ত’ণ্ডা ও ত’র্কবি’ত’র্ক হয়। ঘটনাস্থল থেকে একজন জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন দেয়। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

 

তিনি আরও বলেন, ৯৯৯ থেকে গুলশান থানায় ফোন করলে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে তাদের মধ্যে বা’কবি’ত’ণ্ডা দেখতে পায়। এরপর পুলিশ থানায় ফিরে এসে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আকারে গো’টা বিষয়টি থানায় অবগত করে। গুলশান থানা জানায়, সাধারণত ৯৯৯ থেকে কোনো ডাক পেলে সেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কী পেল না পেল ইত্যাদি অবগত করতে হয়। তার অংশ হিসেবেই সেদিনের ক্লাবের ঘটনাটি পুলিশ জি’ডি আকারে লিখে রাখে। জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, এটা ফা’ল’তু একটা অ’ভিযো’গ। এত দিন পরে কেন এই অ’ভিযো’গ?

 

গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯–এর একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কা’টাকা’টির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভা’ঙচু’র করেছেন পরীমনি। পরে আর এ ঘটনায় কেউ অ’ভিযো’গ করেননি।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: