শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

পরিবারের সবাইকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন মেহজাবিন

প্রকাশিতঃ শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর কদমতলীতে ঘু’মে’র ও’ষুধ খাইয়ে মা-বাবা ও বোনকে ‘মে’রে ফে’লা’র ঘটনায় বড় মেয়ে মেহজাবিনকে আট’ক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাকে আ’টকের পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে সকালে মুরাদপুর এলাকার ২৮, লালমিয়া সরকার রোডের ছয় তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মেহজাবিনের মা মৌসুমী ইসলাম (৪০) বাবা মাসুদ রানা (৫০) ও বোন জান্নাতুলের (২০) লা’শ উ’দ্ধা’র করা হয়।

 

আর আ’হ’ত অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তার আগের ঘরের মেয়ে মারজান তাবাসসুম তৃপ্তিয়াকে (৬) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ’র্তি করা হয়। ঘা’তকে’র চাচাতো বোন শিলা যুগান্তরকে বলেন, মেহজাবিন তার পরিবারের সবাইকে শে’ষ করে দিতে চেয়েছিল। সে তার আগের ঘরের স্বামীকেও ‘খু’-‘ন’ করেছিল। সেই মাম’লায় মেহজাবিনসহ তার নি’হ’ত বাবা-মা ও বোনের জে’ল হয়েছিল। পাঁচ বছর ‘জে’ল খে’টে তারা জা’মিনে ছাড়া পায়।

 

তিনি আরও বলেন, গত দুদিন আগে স্বামী সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে মেহজাবিন। এসেই তার ছোট বোনের জান্নাতুলের সঙ্গে তার স্বামীর প’রকী’য়া রয়েছে বলে বাবা-মা’কে অ’ভিযো’গ করে। এ নিয়ে অনেক কথা কা’টাকা’টি হয়। তার জে’রেই হয়তো সে এ কা’ণ্ড ঘটিয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, জায়গা সম্প’ত্তি নিয়েও পরিবারের সঙ্গে বি’রো’ধ ছিল মেহজাবিনের। সম্প’ত্তি লিখে দেয়ার জন্য বাবা-মাকে অনেক চা’প দিত। এ নিয়ে এর আগে বৈঠক শা’লিস হয়েছে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, মেহজাবিন তার বাবা-মা ও বোনকে ‘মে’রে ফে’লা’র পর আজ সকাল ৮টায় ৯৯৯-এ কল করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার দ্রুত না আসলে আমার স্বা’মী ও মেয়েকে ‘খু”ন’ ক’রে ফে’লব।’ পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ নি’হ’ত তিনজনের লা’শ উ’দ্ধা’র করে। আর মেহজাবিনের স্বামী ও সন্তানকে অ’চে’তন অবস্থায় ঢামেকে পাঠায়। পুলিশের ধারণা, শুক্রবার রাতে নে’শাজা’তীয় দ্র’ব্য খাইয়ে তিনজনকে গ’লায় ‘ফাঁ’স দিয়ে শ্বা’সরু’দ্ধ করে ‘মে’রে ফে’লা’ পারে।

 

ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ম’রদে’হগু’লো হাত পা বাঁ’ধা অবস্থায় পেয়েছি। গতকালকে রাতে তাদের ‘মে’রে’ ফে’লা হয়েছে। ‘মা-”র্ডা’র তাদেরই আরেক মেয়ে। সেই মেয়েকে আ’ট’ক করা হয়েছে।’ এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শফিকুল যুগান্তরকে বলেন, শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। গতকাল রাতে খাবার ও চা খেয়ে অ’সুস্থ হয়ে পড়ি। আমার মেয়েও অ’চে’তন হয়ে যায়।  ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখারুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, মেহজাবিন ‘মা-”র্ডা’র করে ঘটনাস্থল থেকে ফোন দেয়। পুলিশ দ্রুত না গেলে তার স্বামী ও সন্তানকে মে’রে ‘ফে’লা’র হু’ম’কি দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লা’শ উ’দ্ধা’র করে। এ ঘটনায় তাকে আ’ট’ক করা হয়েছে।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: