শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

ফেসবুকে প্রেমের পর বাংলাদেশে এসে বিয়ে, ভারতে ফিরে কারাগারে নবদম্পতি

প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১, ২:১৪ অপরাহ্ন

ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্র’ণয়। ছেলের বাড়ি ভারতের নদিয়ায়। অন্যদিকে মেয়ের বাড়ি বাংলাদেশের নড়াইল জেলায়। প্রেমের টানে একপর্যায়ে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেন ওই ভারতীয় নাগরিক। পরে গত ২৬ জুন নববিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় ধ’রা পড়েন বিএসএফের হাতে। ধরা পড়ার পর বিএসএফের কাছে নিজেদের বিয়ের কথা জানান ওই দম্পতি। তবে সহজেই তাদের দা’বি মানতে নারাজ সী’মান্তরক্ষী’রা। কারণ, বিয়ের কথা বলে নারী পাচারের চেষ্টা নতুন নয়।

 

বিএসএফের একজন কর্মকর্তা বলেন, পা’চারকা’রীরা অনেক সময় বিয়ের প্র’লোভন দেখিয়ে নারী পাচার করে। পরে তাদের ‘যৌ’ন পেশায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বিশেষ এই ঘটনায় একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু কোনও অসং’গতি পাওয়া যায়নি। এটা প্রকৃ’ত অর্থেই প্রেমের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। ওই দম্পতি বিএসএফকে জানিয়েছে, ফেসবুকে তাদের আলা’প হয়েছিল। এরপর প্রায় চার বছর ধরে ফোনেও কথাবা’র্তা হতো। বিয়ের ব্যাপারে দুই পরিবারই রাজি ছিল।

 

কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় সীমা’ন্ত। একপর্যায়ে বিয়ের জন্য বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেয় ওই ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতিতে কাগজপত্র তৈরিতে অনেক দেরি হয়ে যেতে পারে। সে কারণে তিনি এক দালালের মাধ্যমে গত ৮ মার্চ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছান। ১০ মার্চ তারা বিয়ে করেন। এরপর ২৫ জুন পর্যন্ত তারা বাংলাদেশেই ছিলেন। এবার ভারতে ফেরার পালা। ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের সীমান্ত পার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিল এক দালাল। কিন্তু শেষ র’ক্ষা হলো না। সীমান্তেই ধরা পড়ে যায় তারা।

 

ওই দম্পতির ব্যাপারে জানা গেছে, স্বামী ২৪ বছরের জয়কান্ত চন্দ্র রায় স্কুলছুট, রাজমিস্ত্রির কাজ করে। কনে ১৮ বছরের পরিণীতি (ছদ্মনাম) বাংলাদেশে স্না’তক পর্যায়ে পড়াশোনা করছিল। তাদের আপাতত পুলিশের হাতে তু’লে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান বাস্তবতায় বর জামিন পেতে পারেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। পুলিশের ধারণা, ভারতের নাগরিকত্ব না পাওয়া পর্যন্ত মেয়েটিকে সেফ হোমেই থাকতে হতে পারে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়া টাইমস।

 


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: