শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

শ্বাসকষ্টে বাবার মৃত্যু, লাশ নিয়ে বসে আছে সাত বছরের শিশুকন্যা

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১, ৪:৪১ অপরাহ্ন

হাসপাতা’লের স্ট্রেচারে চাদরে মোড়ানো একটি নিথর দেহ। তার পাশেই অঝরে কাঁদছে ছোট্ট একটি শি’শু। কা’ন্না জ’ড়িত কন্ঠে বলছে, ‘আমা’র আব্বু কথা বলে না কেন, আব্বুকে কেউ জাগিয়ে তুলো। বাবা কি মা’রা গেছে, আর কি কথা বলবে না।’ কাঁদতে কাঁদতেই স্ট্রেচারে থাকা মানুষটির চোখে-মুখে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে সে। ঘটনাটি সোমবার রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লের জরুরি বিভাগের। এ নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাই’রাল হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্ট্রেচারে থাকা ম’রদেহটি নওগাঁর পোরশা উপজে’লার কলোনিপাড়ার মুজিবর রহমান। শ্বা’সক’ষ্টে থাকা মুজিবরকে সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালটিতে নেয়া হয়। তবে চিকিৎসক দেখার আগেই তার মৃ’ত্যু হয়। আর শি’শুটি তার মে’য়ে ম’রিয়ম খাতুন।

 

স্থানীয়রা জানান, মুজিবর পেশায় ছিলেন ফেরিওয়ালা। গ্রামে গ্রামে ফেরি করে হাড়ি-পাতিল বিক্রি করতেন। তার এক ছে’লে ও দুই মে’য়ে রয়েছে। সব চাহিদা মেটাতে না পারলেও ভালোবাসার অভাব ছিল না তার পরিবারে। মুজিবরের স্ত্রী’ তানজিলা খাতুন জানান, ৪-৫ দিন আগে শ্বা’সক’ষ্ট শুরু হয় তার স্বামীর। প্রথমে মুজিবর মনে করেছিলেন, হয়তো তীব্র গরমে শরীর খা’রাপ হয়েছে। তবে গত রোববার সন্ধ্যায় শ্বা’সক’ষ্ট বেড়ে গেলে স্থানীয় পোরশা উপজে’লা হাসপাতা’লে নেয়া হয়। সেখানে অক্সিজেন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, সোমবার দুপুরে মুজিবরের অক্সিজেন লেভেল আরও কমে গেলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে নিতে বলে চিকিৎসক। সন্ধ্যায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে পৌঁছানোর পর স্ট্রেচারে করে জরুরি বিভাগে নেয়ার সময়ই তিনি বুকে অ’তিরিক্ত ব্যথা অনুভব করেন।

 

 

ছটফট করতে করতে চিকিৎসক দেখার আগেই নিস্তেজ হয়ে যান মুজিবর। পরে চিকিৎসক এসে জানান, কিছুক্ষণ আগেই তার মৃ’ত্যু হয়েছে। তারা যখন হাসপাতা’লের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুজিবরের ম’রদেহ বাড়িতে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন বাবার পাশে তাদের মে’য়ে ম’রিয়ম কাঁদছিল বলে জানান তিনি। মুজিবরের করো’না হয়েছিল কি না সে বিষয়ে তার স্ত্রী’ বলেন, ‘করো’না নাকি অন্য কিছু হয়েছিল তা আম’রা জানি না। সেখানকার ডাক্তাররাও কোনো নমুনা সংগ্রহ করেনি। শুধু আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমাদের ম’রদেহ নিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলে।’ পোরশা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাহবুব হাসান জানান, বুকে তীব্র ব্যথা ও শ্বা’সক’ষ্ট নিয়ে রোববার রাতে তাদের হাসপাতা’লে নিয়ে যাওয়া হয় মুজিবরকে। এরপর তাকে অক্সিজেন দেয়া হয়।

 

 

মুজিবর করো’না আ’ক্রান্ত ছিলেন কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে করো’নার লক্ষণ তার দেহে ছিল। আর যেহেতু রাজশাহীতে মা’রা গেছেন, সেক্ষেত্রে করো’না আ’ক্রান্ত কি না সেটা রাজশাহী মেডিক্যালই নিশ্চিত করতে পারবে।আর গতকাল (সোমবার) রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাকে দাফন করেছেন।’ পোরশা উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) নাজুমল হামিদ রেজা বলেন, ‘বাবার ম’রদেহের পাশে ছোট্ট মে’য়ের কা’ন্নার ভিডিওটি দেখার পর আমা’রও খুবই খা’রাপ লেগেছে। নিজের চোখের পানি আমিও ধরে রাখতে পারি নাই। আসলেই ঘটনাটি ‍খুবই বেদনাদায়ক।’ তিনি আরো জানান, জে’লা প্রশাসকের নির্দেশে উপজে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার মুজিবরের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতে উপজে’লা প্রশাসন থেকে আরও সহায়তা দেয়া হবে।

 

 

হাসপাতা’লের স্ট্রেচারে চাদরে মোড়ানো একটি নিথর দেহ। তার পাশেই অঝরে কাঁদছে ছোট্ট একটি শি’শু। কা’ন্না জ’ড়িত কন্ঠে বলছে, ‘আমা’র আব্বু কথা বলে না কেন, আব্বুকে কেউ জাগিয়ে তুলো। বাবা কি মা’রা গেছে, আর কি কথা বলবে না।’ কাঁদতে কাঁদতেই স্ট্রেচারে থাকা মানুষটির চোখে-মুখে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে সে। ঘটনাটি সোমবার রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লের জরুরি বিভাগের। এ নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাই’রাল হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্ট্রেচারে থাকা ম’রদেহটি নওগাঁর পোরশা উপজে’লার কলোনিপাড়ার মুজিবর রহমান। শ্বা’সক’ষ্টে থাকা মুজিবরকে সোমবার সন্ধ্যায় হাসপাতালটিতে নেয়া হয়। তবে চিকিৎসক দেখার আগেই তার মৃ’ত্যু হয়। আর শি’শুটি তার মে’য়ে ম’রিয়ম খাতুন।

 

স্থানীয়রা জানান, মুজিবর পেশায় ছিলেন ফেরিওয়ালা। গ্রামে গ্রামে ফেরি করে হাড়ি-পাতিল বিক্রি করতেন। তার এক ছে’লে ও দুই মে’য়ে রয়েছে। সব চাহিদা মেটাতে না পারলেও ভালোবাসার অভাব ছিল না তার পরিবারে। মুজিবরের স্ত্রী’ তানজিলা খাতুন জানান, ৪-৫ দিন আগে শ্বা’সক’ষ্ট শুরু হয় তার স্বামীর। প্রথমে মুজিবর মনে করেছিলেন, হয়তো তীব্র গরমে শরীর খা’রাপ হয়েছে। তবে গত রোববার সন্ধ্যায় শ্বা’সক’ষ্ট বেড়ে গেলে স্থানীয় পোরশা উপজে’লা হাসপাতা’লে নেয়া হয়। সেখানে অক্সিজেন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, সোমবার দুপুরে মুজিবরের অক্সিজেন লেভেল আরও কমে গেলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে নিতে বলে চিকিৎসক। সন্ধ্যায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে পৌঁছানোর পর স্ট্রেচারে করে জরুরি বিভাগে নেয়ার সময়ই তিনি বুকে অ’তিরিক্ত ব্যথা অনুভব করেন।

 

 

ছটফট করতে করতে চিকিৎসক দেখার আগেই নিস্তেজ হয়ে যান মুজিবর। পরে চিকিৎসক এসে জানান, কিছুক্ষণ আগেই তার মৃ’ত্যু হয়েছে। তারা যখন হাসপাতা’লের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুজিবরের ম’রদেহ বাড়িতে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন বাবার পাশে তাদের মে’য়ে ম’রিয়ম কাঁদছিল বলে জানান তিনি। মুজিবরের করো’না হয়েছিল কি না সে বিষয়ে তার স্ত্রী’ বলেন, ‘করো’না নাকি অন্য কিছু হয়েছিল তা আম’রা জানি না। সেখানকার ডাক্তাররাও কোনো নমুনা সংগ্রহ করেনি। শুধু আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমাদের ম’রদেহ নিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলে।’ পোরশা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাহবুব হাসান জানান, বুকে তীব্র ব্যথা ও শ্বা’সক’ষ্ট নিয়ে রোববার রাতে তাদের হাসপাতা’লে নিয়ে যাওয়া হয় মুজিবরকে। এরপর তাকে অক্সিজেন দেয়া হয়।

 

 

মুজিবর করো’না আ’ক্রান্ত ছিলেন কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে করো’নার লক্ষণ তার দেহে ছিল। আর যেহেতু রাজশাহীতে মা’রা গেছেন, সেক্ষেত্রে করো’না আ’ক্রান্ত কি না সেটা রাজশাহী মেডিক্যালই নিশ্চিত করতে পারবে।আর গতকাল (সোমবার) রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাকে দাফন করেছেন।’ পোরশা উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) নাজুমল হামিদ রেজা বলেন, ‘বাবার ম’রদেহের পাশে ছোট্ট মে’য়ের কা’ন্নার ভিডিওটি দেখার পর আমা’রও খুবই খা’রাপ লেগেছে। নিজের চোখের পানি আমিও ধরে রাখতে পারি নাই। আসলেই ঘটনাটি ‍খুবই বেদনাদায়ক।’ তিনি আরো জানান, জে’লা প্রশাসকের নির্দেশে উপজে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার মুজিবরের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতে উপজে’লা প্রশাসন থেকে আরও সহায়তা দেয়া হবে।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: