মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
প্রবাসী আমিরুলকে মেরে ৯ দিন পর লাশ দেশে পাঠায় চার মামাতো ভাই যাত্রীচাপ সামলাতে দুবাই রুটে বিমানের অতিরিক্ত ফ্লাইট কাতার সরকারের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্তে হতাশ প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু লাল তালিকায় না, বাংলাদেশকে ‘ব্যতিক্রমী লাল’ তালিকায় যুক্ত করলো কাতার ঢাকা থেকে কাতারে এসেই পেটের অসুখে আক্রান্ত প্রবাসীরা, এয়ারপোর্টে নতুন নির্দেশনা ৫ গন্তব্যের কোনো সিট খালি নেই, ভাড়া কমানোর আগেই বিমানের টিকিট বিক্রি শেষ! ইলিয়াস আমার টাকা-পয়সা, গয়না নিয়ে চলে গেছে: সুবাহ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, জয়-লেখক আহত মধ্যপ্রাচ্যের ৫ রুটে ১৬ তারিখ থেকে কম ভাড়ায় চলবে বিমান জাহানারা বিশ্বসেরা সুন্দরী ক্রিকেটারদের তালিকায় সবার উপরে

বাজারের ১৫ প্রজাতির মাছে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা, খেলে হতে পারে বিপদ!

প্রকাশিতঃ সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক গ’বেষণায় বাজারে পাওয়া যায় এমন ১৫ প্রজাতির দেশি মাছে প্লাস্টিকের ক্ষু’দ্র কণার (মাইক্রোপ্লাস্টিক) উপস্থিতি দেখা গেছে। সম্প্রতি পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘সায়েন্স অব দ্য টোটাল ইনভায়রনমেন্টে’ এ বিষয়ে একটি গবেষণপত্র প্রকাশিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জান্নাত এ গবেষণাটি পরিচালনা করেন। গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক ও সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা পারভিন।

 

গবেষণায় জানা যায়, দেশি ১৫ প্রজাতির মাছে প্লাস্টিকের ক্ষু’দ্র কণা (মা’ইক্রো’প্লাস্টিক) পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো- কালবাউশ, বেলে, টেংরা, কই, বাটা, রুই, তেলাপিয়া, কমন কার্প, পাবদা, পুটি, রয়না, শিলং, বাইন, টাটকিনি ও বাছা। এর মধ্যে টেংরা, টাটকিনি ও রয়না মাছে প্লাস্টিকের পরিমাণ বেশি। মাছে প্লাস্টিক পলিমার হাই ডেনসিটি প’লিথিলিন, পলিপ্রপিলিন পলিথিলিন কপোলিমার ও ইথিলিন ভিনাইল এসিটেটের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে। এসব প্লাস্টিক পলিমার দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বিভিন্ন বোতল, প্লাস্টিকের ব্যাগ, কনটেইনার, প্লাস্টিক ও ফোমের জুতা এবং মোড়ক ইত্যাদি থেকে পরিবেশে প্রবেশ করে।

 

এতে আরও জানা যায়, মাছের পেটে উ’পস্থিত প্লাস্টিক কণা সরাসরি খাদ্যের সঙ্গে মানু’ষের দেহে প্রবেশ করে না। তবে এগুলো থেকে নিঃ’সৃ’ত বি’ষা’ক্ত রা’সায়নিক মাছের দে’হে জমা হয়। পরে এসব মাছ খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে স্বা’স্থ্যঝুঁ’কি তৈরি হয়। গবেষণার বিষয়ে সুমাইয়া জান্নাত বলেন, স্নাতকোত্তরের থিসিসের কাজে ১৮ প্রজাতির দেশি মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাব নিয়ে অনুস’ন্ধান করি। এসব মাছের মধ্যে ১৫ প্রজাতির পরিপাকতন্ত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মাছগুলো সাধারণত কৃত্রিম উপায়ে মিষ্টি পানির জলাধারে চাষ করা হয়। পরীক্ষাকৃত মাছগুলোর ৭৩.৩ শতাংশতে প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। গবেষণার মাছগুলো সা’ভার ও আশুলিয়া বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়।

 

সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা পারভিন বাং’লা ট্রি’বিউনকে বলেন, ১৮ প্রজাতির মাছের মধ্যে ১৫ প্রজাতির মাছে মাইক্রো’প্লাস্টি’কের উপস্থিতি দেখা গেছে। বাকি তিন প্রজাতি ফলি, শিং ও গুলশা মাছে প্লা’স্টিকের কণা পাওয়া যায়নি। যেসব মাছ পানির সবচেয়ে নিচের স্ত’রে বাস করে, তাদের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বেশি। বাংলাদেশের জলাধারগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্যসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্র’ব্য ফেলা হয়। সেখান থেকেই মাছের মতো জলজ প্রাণী দূষিত খাদ্য গ্রহণ করে। এই মাই’ক্রোপ্লা’স্টিক মানবদে’হের জন্য ক্ষ’তিকার।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: