শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

মালয়েশিয়ায় ভিসা থাকা স্বত্বেও ১৮ জন প্রবাসী কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন

প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ৩:৩০ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়ার শাহআলামের শ্রী মুদা এলাকার একটি কাঁচাবাজারে অপস বারসামা নামক অভিযানে বাংলাদেশী ও ইন্দোনেশিয়ান কর্মীকে গ্রে’ফতার করা হয়। গ্রে’ফতারের সময় আট’ককৃত সকলেই অফিসারদেরকে পার্ট টাইম কাজ করছেন বলে অযুহাত দেখায়। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা অযুহাত আমলে না নিয়ে ১৮ জনকে সেই বাজার থেকে গ্রে’ফতার করতে সক্ষম হয়।

 

গতকাল স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া অভিযান ৬ ঘন্টা ব্যাপি চলে। সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ ও শাহ আলম সিটি কাউন্সিল এর কর্মকর্তাদের যৌথ অংশগ্রহণ পরিচালিত এই অভিযান ২৪ জন বিদেশি কর্মীকে চেক করা হয়েছিল। সেলেঙ্গার ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর, মোহামাদ শুকরি নাভি বলেছেন, তদন্তে দেখা গেছে যে, তাদের সবার কাছেই টেম্পোরারি ওয়ার্কিং ভিজিট পাস (পিএলকেএস) পারমিটের অপব্যবহার করেছে। তারা বৈধ হওয়া স্বত্বেও অন্য কোম্পানিত পার্ট টাইম কাজ করতে আসছে যা গ্রহনযোগ্য ছিলো না।

 

প্রাথমিক তদ’ন্তে দেখা গেছে যে এই অঞ্চলে অনেক বিদেশী কর্মীর উপস্থিতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য বিদেশি কর্মীরা এই কাঁচাবাজারে আসে কার তাদের আবাসন ব্যবস্থা নিকটবর্তী শিল্পাঞ্চলের কাছে অবস্থিত। তাদের ভিসাগুলো পরিদর্শনের ফলাফলগুলিতে দেখা গেছে যে, তারা সার্ভিস সেক্টরের ক্লিনিং ভিসা ও ম্যানুফ্যাকচারিং ভিসাধারী হয়ে কাঁচাবাজারে সব্জী ও মাছ বিক্রেতা হিসেবে পার্ট টাইম বা খণ্ডকালীন কাজ করছিলেন।

 

তিনি বলেছিলেন যে, অ’বৈধ অভিবাসীদের আট’কে রাখা হয়েছে যার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল থেকে ১৫ জন, তিনজন ইন্দোনেশিয়া (২) এবং মিয়ানমার (১)তিনি বলেছিলেন যে সেমেনিয়াহ ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়ার আগে তাদের আরও তদন্তের জন্য এনফোর্সমেন্ট বিভাগ, সেলেঙ্গার ইমিগ্রেশন অফিসে নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “মামলাটি ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯ / ৬৩৩ এর ধারা ৬ (১) (গ) এবং ১৫ (১) (সি) এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩৩ এর রেগুলেশন ৩৯ (বি) অনুসারে তদন্ত করা হচ্ছে।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: