বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
দুবাই বিমানবন্দরে কী ঘটে তা জানার অপেক্ষায় ঢাকা আচার বলে বিমানবন্দরে ব্যাগে ঢুকিয়ে দিলো প্যাকেট, সৌদি গিয়ে জেলে প্রবাসী প্রেম নিয়ে গুঞ্জন, নায়িকা বললেন ‘সৃজিত আমার বাবার মতো’ রাস্তায় ঘুরে চুড়ি-ফিতা বিক্রি করছেন নায়িকা মৌসুমী হাতিরঝিলে নতুন সংসার শুরু করলেন অপু বিশ্বাস, চাইলেন দোয়া মালয়েশিয়া প্রবাসীদের পোস্ট অফিস থেকে যেভাবে পাসপোর্ট নিতে হবে মালয়েশিয়ায় রিক্যালিব্রেশনে আবেদনকারীরা কোম্পানির অফিসেই করতে পারবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মায়ের সামনে আগুনে পুড়ে মরলো শেকলবন্দি কলেজছাত্র! বিমানবন্দরে ১ সপ্তাহের মাঝে নমুনা পরীক্ষা শুরু, মূল্যও কমবে কুয়েত মোবারক আল-কাবির থেকে ৮০ জন গ্রেফতার!

বাজারের ১৫ প্রজাতির মাছে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা, খেলে হতে পারে বিপদ!

প্রকাশিতঃ সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এক গ’বেষণায় বাজারে পাওয়া যায় এমন ১৫ প্রজাতির দেশি মাছে প্লাস্টিকের ক্ষু’দ্র কণার (মাইক্রোপ্লাস্টিক) উপস্থিতি দেখা গেছে। সম্প্রতি পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘সায়েন্স অব দ্য টোটাল ইনভায়রনমেন্টে’ এ বিষয়ে একটি গবেষণপত্র প্রকাশিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জান্নাত এ গবেষণাটি পরিচালনা করেন। গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক ও সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা পারভিন।

 

গবেষণায় জানা যায়, দেশি ১৫ প্রজাতির মাছে প্লাস্টিকের ক্ষু’দ্র কণা (মা’ইক্রো’প্লাস্টিক) পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো- কালবাউশ, বেলে, টেংরা, কই, বাটা, রুই, তেলাপিয়া, কমন কার্প, পাবদা, পুটি, রয়না, শিলং, বাইন, টাটকিনি ও বাছা। এর মধ্যে টেংরা, টাটকিনি ও রয়না মাছে প্লাস্টিকের পরিমাণ বেশি। মাছে প্লাস্টিক পলিমার হাই ডেনসিটি প’লিথিলিন, পলিপ্রপিলিন পলিথিলিন কপোলিমার ও ইথিলিন ভিনাইল এসিটেটের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে। এসব প্লাস্টিক পলিমার দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বিভিন্ন বোতল, প্লাস্টিকের ব্যাগ, কনটেইনার, প্লাস্টিক ও ফোমের জুতা এবং মোড়ক ইত্যাদি থেকে পরিবেশে প্রবেশ করে।

 

এতে আরও জানা যায়, মাছের পেটে উ’পস্থিত প্লাস্টিক কণা সরাসরি খাদ্যের সঙ্গে মানু’ষের দেহে প্রবেশ করে না। তবে এগুলো থেকে নিঃ’সৃ’ত বি’ষা’ক্ত রা’সায়নিক মাছের দে’হে জমা হয়। পরে এসব মাছ খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে স্বা’স্থ্যঝুঁ’কি তৈরি হয়। গবেষণার বিষয়ে সুমাইয়া জান্নাত বলেন, স্নাতকোত্তরের থিসিসের কাজে ১৮ প্রজাতির দেশি মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাব নিয়ে অনুস’ন্ধান করি। এসব মাছের মধ্যে ১৫ প্রজাতির পরিপাকতন্ত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মাছগুলো সাধারণত কৃত্রিম উপায়ে মিষ্টি পানির জলাধারে চাষ করা হয়। পরীক্ষাকৃত মাছগুলোর ৭৩.৩ শতাংশতে প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। গবেষণার মাছগুলো সা’ভার ও আশুলিয়া বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়।

 

সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা পারভিন বাং’লা ট্রি’বিউনকে বলেন, ১৮ প্রজাতির মাছের মধ্যে ১৫ প্রজাতির মাছে মাইক্রো’প্লাস্টি’কের উপস্থিতি দেখা গেছে। বাকি তিন প্রজাতি ফলি, শিং ও গুলশা মাছে প্লা’স্টিকের কণা পাওয়া যায়নি। যেসব মাছ পানির সবচেয়ে নিচের স্ত’রে বাস করে, তাদের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বেশি। বাংলাদেশের জলাধারগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্যসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্র’ব্য ফেলা হয়। সেখান থেকেই মাছের মতো জলজ প্রাণী দূষিত খাদ্য গ্রহণ করে। এই মাই’ক্রোপ্লা’স্টিক মানবদে’হের জন্য ক্ষ’তিকার।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: