বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
দুবাই বিমানবন্দরে কী ঘটে তা জানার অপেক্ষায় ঢাকা আচার বলে বিমানবন্দরে ব্যাগে ঢুকিয়ে দিলো প্যাকেট, সৌদি গিয়ে জেলে প্রবাসী প্রেম নিয়ে গুঞ্জন, নায়িকা বললেন ‘সৃজিত আমার বাবার মতো’ রাস্তায় ঘুরে চুড়ি-ফিতা বিক্রি করছেন নায়িকা মৌসুমী হাতিরঝিলে নতুন সংসার শুরু করলেন অপু বিশ্বাস, চাইলেন দোয়া মালয়েশিয়া প্রবাসীদের পোস্ট অফিস থেকে যেভাবে পাসপোর্ট নিতে হবে মালয়েশিয়ায় রিক্যালিব্রেশনে আবেদনকারীরা কোম্পানির অফিসেই করতে পারবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মায়ের সামনে আগুনে পুড়ে মরলো শেকলবন্দি কলেজছাত্র! বিমানবন্দরে ১ সপ্তাহের মাঝে নমুনা পরীক্ষা শুরু, মূল্যও কমবে কুয়েত মোবারক আল-কাবির থেকে ৮০ জন গ্রেফতার!

১৬ বছর ধরে প্রতি শুক্রবার বউ সাজেন ৪ সন্তানের জননী, নেপথ্যে করুণ কাহিনি

প্রকাশিতঃ রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৪:১৬ অপরাহ্ন

প্রতিটা মানুষেরই কিছু না কিছু শখ থাকে। কেউ সাজতে ভালোবাসেন, কেউ গাইতে, কেউ গল্প করতে। তবে প্রতি শুক্রবার নববধূ হওয়ার এমন শখ হয়তো শোনা গিয়েছে বলে মনে হয় না। সপ্তাহের ওই এক দিনই পাকিস্তানের চার সন্তানের জননীর এই অদ্ভুত শখে হতবাক পড়শিরাও।

 

৪২ বছর বয়সী এই নারীর নাম হীরা জিশান। তিনি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এই নারী প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে সাজেন। পড়শিরাও তার এই আজব শখ নিয়ে নানা রকম আলোচনাও করেন। তবে কেন এই অদ্ভুত শখ হীরা জিশান? এর পিছনে এক করুণ কাহিনিও আছে।

 

দিনটি ছিল ২০০৫ সাল, তখন হীরা জিশানের মা হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেয়েকে নিয়ে তার চিন্তার অন্ত ছিল না। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান। হীরার মায়ের ইচ্ছে ছিল মৃ.ত্যুর আগে মেয়েকে নববধূর বেশে দেখে যাবেন। হাসপাতালেরই এক কর্মী হীরার মাকে র.ক্ত দিয়েছিলেন। মা.য়ের ইচ্ছে মতো সেই কর্মী.কেই বিয়ে করেন হীরা।

 

তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে খুব সাধারণ সাজেই বিয়ে হয়েছিল এবং এক কাপড়েই। আর চার-পাঁচটি বিয়ের মতো ধুমধাম করে নয়।’ বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হীরার মায়ের মৃ.ত্যু হয়। মাকে হারিয়ে একেবারে ভে.ঙে পড়েছিলেন হীরা।

 

এখানেই শেষ নয়। তার জন্য আরো চরম পরিস্থিতি যেন অপেক্ষা করছিল। পরবর্তী কয়েক বছরে ছয় সন্তানের মধ্যে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন। অবসাদ গ্রাস করে তাকে। এই অবসাদ থেকে নিজেকে বার করে আনার জন্যই প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে নিজেকে সাজান। হীরার স্বামী লন্ডনে থাকেন।

 

তার কথায়, একাকিত্ব থেকে নিজেকে বার করে আনতে, অবসাদ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে, নিজেকে আনন্দ দিতেই এই ভাবে সাজেন। ১৬ বছর ধরে হীরা এ ভাবেই সেজে আসছেন প্রতি সপ্তাহে। সূত্র: আনন্দবাজার


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error:
error: